দীর্ঘ সময় ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই। শেষ পর্যন্ত আর ফেরা হল না। মারা গেলেন ইনফ্লুয়েন্সার মনজিৎ কৌর। অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে, গাছে বেঁধে পোড়ানো হয়েছিল তাঁকে এমনটাই অভিযোজ। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন মনজিৎ। শেষ পর্যন্ত মারা গেলেন তিনি। চণ্ডীগড়ের পোস্টগ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে ভর্তি ছিলেন ২৮ বছর বয়সি মনজিৎ। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্য়াগ করলেন তিনি। মনজিতের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণ এবং হত্যার মামলা দায়ের করেছে চণ্ডীগড় পুলিশ। মনজিতের মা অভিযোগ করেন, গত ৩ জুলাই গভীর রাতে ফোন করে ডাকা হয় মনজিৎকে। শুভি এবং পিন্ডা নামের দু’জনের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, চণ্ডীগড় সেক্টর ৩৪-এ একটি মদের দোকানের কাছে ডাকা হয় মনজিৎকে। সেখানে যাওয়ার পরেই অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে । জোর করে গাড়িতে তোলা হয় তাঁকে। নিয়ে যাওয়া হয় মোরিন্ডায়। প্রথমে শারীরিক নির্যাতন চলে। পরে গাছের সঙ্গে বেঁধে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
গাছে বাঁধা অবস্থায় মনজিৎকে দেখতে পান একজন। আগুনের উপর কম্বল চাপা দিয়ে তিনিই মনজিৎকে উদ্ধার করেন। মনজিৎকে মোরিন্ডার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় প্রথমে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় মোহালীর হাসপাতালে। ৯ জুলাই সেখান থেকে স্থানান্তরিত করা হয় পোস্টগ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে।
পোস্টগ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চে বেশ কয়েক সপ্তাহ অচেতন ছিলেন মনজিৎ। ৫ অগাস্ট কিছু ক্ষণের জন্য চৈতন্য ফিরে পান তিনি। ঠিক কী ঘটেছিল ওইদিন, পরিবারকে জানান। কিন্তু চিকিৎসকদের তরফে সব চেষ্টা করা হলেও, পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন মনজিৎ।মনজিতের মৃত্যুর পর সেক্টর ৩৪ থানার পুলিশ মামলা দায়ের করেছে। পাশাপাশি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে পরিবারের লোকজনদের।




















