সময় ও সত্যের কণ্ঠস্বর

Image

ষাটের দশকের গ্রাম-বাংলায় ফিরবে শিকড়ের টান!

ষাটের দশকের গ্রাম-বাংলা। এবছর দশভুজার আড়াধনায় ষাটের দশকে ফিরে যাবে কমলপুরের ওয়াই আর সি। ঘটবে আবেগ আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধন। আধুনিকতার চাকচিক্যের ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম-বাংলার সেই চেনা ছবি—মাটির পথ, সবুজে ঘেরা পরিবেশ, সহজ-সরল জীবন আর মানুষের সঙ্গে মানুষের আত্মিক বন্ধন। সেই হারিয়ে যাওয়া দিনগুলির স্মৃতি নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে এবার ষাটের দশকের গ্রামবাংলাকে থিম হিসেবে বেছে নিয়েছে কমলপুরের ওয়াই আর সি। এবছর তাদের ৫৪ তম দুর্গা পূজা। তাঁদের পরিকল্পনায় এবার শিকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন প্রয়াস।মায়ের আগমন গ্রামীণ রূপে—যেখানে দেবী আরাধনার সঙ্গে মিশে থাকবে বাংলার মাটির গন্ধ।পুজোর মূল ভাবনায় থাকছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মানুষের সহজ- সরল জীবনযাত্রার প্রতিচ্ছবি। অতীতের সেই চেনা পরিবেশকে মণ্ডপসজ্জার মধ্য দিয়ে জীবন্ত করে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছেন উদ্যোক্তারা।তবে পুরো ভাবনাটাই পশ্চিমবাংলার শিল্পী রূপা অধিকারী। তিনিই ফুটিয়ে তুলছেন উনার শিল্পকর্মের মাধ্যমে। উদ্যোক্তারা জানান এবারের পুজোর বাজেট প্রায় ২২ লক্ষ টাকা। প্রতিমা নির্মাণ করছেন স্থানীয় মৃৎশিল্পী রঞ্জিত ভট্টাচার্য। স্থানীয় শিল্পীর হাতের ছোঁয়ায় মায়ের প্রতিমায় ফুটে উঠবে গ্রামীণ আবহ ও ঐতিহ্যের বিশেষ রূপ। পূজার চারদিন থাকবে পশ্চিমবাংলার শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

র্শনার্থীদের সামনে এমন এক পরিবেশ তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা তাঁদের মনে অতীতের স্মৃতি জাগিয়ে তুলবে এবং বাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবে।পুজো মানে মানুষের মিলন, আনন্দ ভাগ করে নেওয়া এবং পুরনো স্মৃতিকে নতুন করে বাঁচিয়ে তোলা। আধুনিকতার মাঝেও ফিরে আসবে হারানো গ্রামবাংলা, আর মায়ের আরাধনায় জেগে উঠবে মাটির টান—সেখানেই এবারের পুজো হয়ে উঠবে হৃদয়ের উৎসব।

Related Posts

Scroll to Top