সময় ও সত্যের কণ্ঠস্বর

  • হোম
  • আগরতলা
  • হাওড়ার জলের দূষণের মাত্রা জানতে নমুনা সংগ্রহ!
Image

হাওড়ার জলের দূষণের মাত্রা জানতে নমুনা সংগ্রহ!

প্রতিমা নিরঞ্জনের পর হাওড়া নদীর দশমীঘাট এলাকা থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ। ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তরফে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের নির্দেশ মতো প্রতিবছর উৎসব মরশুমে শব্দ বায়ু দূষণের পরিমাপ করা হয়ে থাকে। এমনকি জল দূষণের মাত্রাও দেখা হয় বিভিন্ন জায়গায় প্রতিমা নিরঞ্জনের পর। নির্দেশিকা মোতাবেক ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ শনিবার হাওড়া নদীর দশমীঘাট এলাকা থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ করেছে। কারণ দশমীঘাটেই সবচেয়ে বেশি প্রতিমা নিরঞ্জন করা হয়ে থাকে।শুক্রবার মায়ের গমন অনুষ্ঠান শেষ হয়। আর তাই শনিবার সকালে দশমীঘাট এলাকা থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ করেন দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সংশ্লিষ্টরা।নমুনা সংগ্রহের টিমে থাকা এক সদস্য জানান, ল্যাবে তা পরীক্ষা করে দপ্তরের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হবে। প্রতিমা নিরঞ্জনের পর জলদূষণের মাত্রা যাচাই-ই শুধু নয়, দীপাবলির আগে শব্দ ও বায়ু দূষণের গুণমান পর্যবেক্ষণ করা হয়। আগামী সাত থেকে আট দিন পরও ধারাবাহিকভাবে এই পর্যবেক্ষণ চলবে। বিশ্লেষণের ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ-সহ প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।শুধু জলদূষণ নয়, উৎসবের মরসুমে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও নজরদারি চালাচ্ছে পর্ষদ। আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, গণেশ পুজো থেকে দুর্গাপুজো পর্যন্ত দিন-রাত শব্দের তীব্রতা পরিমাপ করা হয়েছে। নীরব এলাকা, আবাসিক এলাকা এবং বাণিজ্যিক এলাকায় শব্দের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আগামী লক্ষ্মীপুজো ও দীপাবলির সময়ও শব্দদূষণের পাশাপাশি বায়ুর গুণমান পরীক্ষা করা হবে।

এই পর্যবেক্ষণ কর্মসূচিতে আগরতলা মনিটরিং দলের কো-অর্ডিনেটর গৌতম ঘোষ, ডক্টর রাজীব পাল, সিনিয়র অফিসার রতন দেবনাথ, প্রজেক্ট অফিসার প্রসেনজিৎ দাসমোহ এবং বিজ্ঞানী সুশান্ত দাস-সহ পর্ষদের আধিকারিক ও কর্মীরা যুক্ত রয়েছেন। উদয়পুরের জোনাল অফিস-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় একইভাবে পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Related Posts

Scroll to Top