শুনলে হয়তো অবাক হবেন।কিন্তু এটাই সত্য।একজন শিক্ষক চাইছেন সামাজিক ভাতা। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন আপনারা। তবে তিনি বর্তমানে সরকারি শিক্ষকতার চাকরিতে নেই।তিনি চাকরিচ্যুত শিক্ষক। ১০০ শতাংশ দৃষ্টিহীন এই চাকরিচ্যুত শিক্ষক ভাতার আবেদন করেও সাড়া পাচ্ছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও করজোরে আবেদন করেন পরিবার প্রতিপালনের জন্য উনাকে যাতে ন্যায্য ভাতা দেওয়া হয়। বলছিলাম, জম্পুইজলা ব্লকের চিকনছড়া ভিলেজের মুরারিপাড়া বাসিন্দা বিজয় দেববর্মার কথা। ২০১৪ সালে অস্নাতক পদে চাকরি পেয়েছিলেন। কয়েক বছর পর বহু চর্চিত ১০৩২৩-র চাকরি চলে যায়। তিনিও ছিলেন এই সংখ্যার একজন।চাকরি চলে যাওয়ার পর দিশেহারা হয়ে পড়েন বিজয় বাবু। সংসারে স্ত্রী ছাড়াও দুই মেয়ে। নিজে সুগার হাই প্রেসারের রোগী। কোনো একটি অপারেশনের কারণে ১০০ শতাংশ দৃষ্টিহীন হয়ে পড়েন তিনি।কিভাবে সংসার চালাবেন, নিজের ওষুধ মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালাবেন ভেবে উঠতে পারছেন না। উনার স্ত্রী দিনমজুরির কাজ করেন। দুই বেলা দুই মুঠো ভাত ঠিক করে তাদের জুটে না। এই অবস্থায় ১০০ শতাংশ দৃষ্টিহীন বিজয় দেববর্মা জম্পুইজলা ব্লকে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেও কোনো সাড়া মিলেনি আজও। ফলে অভাবে দিন কাটচ্ছে চাকরিচ্যুত শিক্ষকের পরিবারের। বিজয় বাবুর পরিবারের এই দুরবস্থার কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন রাখেন তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য।
১০০ শতাংশ দৃষ্টিহিনের সার্টিফিকেট থাকার পরেও কেন বিজয় দেববর্মার কপালে জুটছে না সামাজিক ভাতা, তা বুঝে উঠতে পারছেন না স্থানীয়রা। অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াবে কি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ? এখন তাই দেখার।
















