দীর্ঘ লাইনে গ্রাহকরা। অথচ দেখা নেই বিলিং কাউন্টারে কোনো বিদ্যুৎ কর্মীর। ঘটনা জানাজানি হতেই প্রায় দুই ঘণ্টা পর অফিসে আসে বিদ্যুৎ নিগমের কর্মী।
সকাল ১০ টায় কুমারঘাট বিদ্যুৎ নিগমের সাব ডিভিশন অফিসের বিলিং কাউন্টার খোলার কথা। উৎসবের মাঝেও সকাল বেলা গ্রাহকরা বিলের জন্য বিদ্যুৎ নিগমের সাব ডিভিশন অফিসে আসেন। কিন্তু এসে দেখেন নির্দিষ্ট সময়ে দেখা নেই কোনো কর্মীর। বেলা ১০ টা পেরিয়ে ১১ টা বাজলেও দেখা মিলেনি কোনো কর্মীর। ঘটনা মঙ্গলবার। স্বাভাবিকভাবেই উৎসবের দিনে প্রয়োজনীয় কাজ ফেলে এসে দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থেকে যারপরনাই ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। তারা ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন নির্ধারিত সময়ে বিলিং কাউন্টার না খোলার কারনে অনেকেই সকাল ৯ টা থেকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে তাদেরকে। ফলে সমস্যায় পড়তে হয় তাদেরকে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয় গ্রাহকদেরকে। অবশেষে দুপুর ১২টা নাগাদ বিলিং কাউন্টার খুলতে আসেন এক কর্মী।
তবে বিলিং কাউন্টার দেরিতে খোলার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্মীর অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন বিকল্প দায়িত্বে আসা কর্মী প্রভাত দেবনাথ। তাঁর দাবি, নির্ধারিত কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়ায় জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে আসতে হয়েছে কাউন্টারে।
প্রশ্ন উঠছে নির্ধারিত সময়ে কাউন্টার খোলা নিশ্চিত করতে দপ্তরের নজরদারি কোথায় ছিল? সেই প্রশ্নও তুলছেন গ্রাহকরা। পুজোর মরশুমে জরুরি পরিষেবার এমন হালে স্বাভাবিকভাবেই গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ায়।
















