বেহাল ট্রাফিক ব্যবস্থার চিত্র ফুটে উঠলো মহা সপ্তমীর দিনে কৈলাশহরে। চরম ভোগান্তির শিকার দর্শনার্থীরা। বিশেষ করে পায়ে হেঁটে যারা পুজো দেখতে বের হয়েছেন। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ঊনকোটি জেলায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, নো-এন্ট্রি ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিয়ে ১৫ অক্টোবর সাংবাদিক সম্মেলন করে একাধিক নির্দেশিকা ও আশ্বাস দিয়েছিলেন ঊনকোটি জেলা পুলিশ সুপার। কিন্তু মহাসপ্তমীর সন্ধ্যা ও রাতে কৈলাসহর মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র সেই আশ্বাসে যেন বিস্তর ফারাক। অভিযোগ, মহাসপ্তমীর সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নামতেই কৈলাসহরের প্রধান সড়ক এবং ছোট-বড় বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সামনে ই-রিকশা, ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি, মোটরবাইক, অটোসহ বিভিন্ন যানবাহনের অবাধ চলাচল শুরু হয়। এর ফলে পায়ে হেঁটে প্রতিমা দর্শনে বের হওয়া সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। কোথাও কোথাও পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, যানবাহনের ভিড় ও চলাচলের চাপে অনেক দর্শনার্থী পূজা দেখা অসমাপ্ত রেখেই বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ। দর্শনার্থীদের একাংশের আরও অভিযোগ, পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল পেট্রোলিং এবং ট্রাফিক পুলিশের দৃশ্যমান তৎপরতা প্রত্যাশিত মাত্রায় দেখা যায়নি। ফলে নো-এন্ট্রি ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য যে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল, তার বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি, পূজার পাস ব্যবহার করেও কিছু ব্যক্তিগত মোটরবাইক ও গাড়িকে চলাচল করতে দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ। ১৫ অক্টোবরের সাংবাদিক সম্মেলনে পুলিশ সুপারের দেওয়া আশ্বাসের পরও মহাসপ্তমীতে যদি এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে দুর্গাপূজার বাকি দিনগুলিতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
















