দেশ বিরোধী জন বিরোধী সরকারকে উৎখাত করার আন্দোলনে সকলকে এগিয়ে আসার বার্তা কৃষক নেতা হান্নান মোল্লার। একই সুর শোনা গেল অন্য বক্তাদের গলায়ও। সারা ভারত কৃষকসভার ত্রিপুরা রাজ্য সম্মেলনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার প্রকাশ্য সমাবেশে এই বার্তা দেন নেতৃত্ব। সংগঠনের তিন দিন ব্যাপী রাজ্য সম্মেলন শুরু হয়েছে এদিন রাজধানীর স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে। কৃষকসভার ২২ তম রাজ্য সম্মেলন চলবে আগরতলা টাউন হলে। এদিন সম্মেলন শুরুর আগে টাউন হলের সামনে হয় সংগঠনের পতাকা উত্তোলন। এর পর শুরু হয় প্রকাশ্য সমাবেশ। অনেক দিন পর স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে বাম সংগঠনের সমাবেশ ঘিরে ছিল ব্যাপক প্রস্তুতি।এদিন সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সারা ভারত কৃষকসভার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বিজু কৃষ্ণান, সর্বভারতীয় সহ- সভাপতি হান্নান মোল্লা, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, কৃষকসভার রাজ্য কমিটির সভাপতি অঘোর দেববর্মা, সম্পাদক পবিত্র কর সহ অন্যরা।সমাবেশে ভাষণ রাখতে গিয়ে কৃষক সভার সর্বভারতীয় সহ- সভাপতি হান্নান মোল্লা বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন বর্তমান কেন্দ্রের মোদী সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান। তিনি অভিযোগ করেন খাদ্য আমদানি করার জন্য আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করে কৃষকদের উপর নতুন করে আক্রমণ নামিয়ে আনছে মোদী সরকার।এতে দেশের কৃষকদের ফসল বিক্রি হবে না। এতে কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা বাড়বে। এই অবস্থায় আগামী দিনে কৃষক ক্ষেত্মজুরদের সংগঠিত করে শ্রমিক কৃষক মৈত্রী গড়ে তুলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বড় লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেওয় হবে।
প্রকাশ্য সমাবেশে বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী মন্তব্য করেন সাড়ে আট বছর ধরে এই ত্রিপুরা রাজ্যকে তথাকথিত হিন্দু রাষ্ট্র তৈরি করার পরীক্ষাগার হিসেবে সমস্ত অধিকার কেড়ে নিয়ে স্বৈরাচার রাজত্ব কায়েম করেছে। তিনি বলেন গণতন্ত্র যখন দুর্বল হয় সংবিধান যখন অচল হয় তখন গণতান্ত্রিক সংগঠনের কাজকর্মের মধ্যেও বহুবিধ বাধা সঙ্কট নেমে আসে।স্বাভাবিক ভাবে কাজ করতে পারে না।
এদিনের প্রকাশ্য সমাবেশে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৃষক সহ সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেন। সমাবেশ থেকে আগামী দিনে আরও জোরদার বড় লড়াইয়ের বার্তা দেওয়া হয়।


















