এবার নিশ্চুপ থাকলো না পুলিস প্রশাসন। উৎসবের দিনে জাতীয় সড়ক অবরোধ ভেস্তে দিল পুলিস। আটক করা হয় আত্মসমর্পণকারী বৈরীদের।
দুর্গোৎসবের দিনে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে কিসের আন্দোলন? সপ্তমীর সকাল থেকে বড়মুড়ার সাধু পাড়ায় ৭২ ঘণ্টার সড়ক অবরোধের খবর শুক্রবার বিকেল থেকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই রাজ্যবাসীর মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। উৎসবের এই কয়টিদিন মানুষ যখন রাজ্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে আনন্দে যাতায়াতের মাধ্যমে আনন্দে মেতে উঠবেন তখন আসাম- আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধের ডাক দেয় এন এল এফ টি ও এ টি টি এফের একটি গোষ্ঠী। সপ্তমীর সকাল থেকে বড়মুড়ায় সড়ক অবরোধের ঘোষণা দেয়। সেই মতো শুক্রবার রাত থেকে তারা জড়ো হতে থাকে বড়মুড়ায়। খবর যায় জিরানিয়া মহকুমা পুলিস প্রশাসনের কাছে। ভোররাতেই সেখানে পৌঁছায় পুলিস প্রশাসন। মাইকযোগে আন্দোলনকারীদের জানিয়ে দেওয়া হয় তাদের এই আন্দোলন বেআইনি। পুলিস প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এভাবে জাতীয় সড়ক অবরোধ করা যাবে না।
আন্দোলনকারীদের সঙ্গে জিরানিয়া মহকুমা প্রশাসনের তরফে এক জন ডি সি এম কথা বলেন। যাতে উৎসবের সময় এ ধরণের আন্দোলন থেকে তারা বিরত থাকেন। কিন্তু আত্মসমর্পণকারী বৈরীরা সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় ঠিক ভাবে আন্দোলন শুরু হওয়ার আগেই পুলিস গ্রেপ্তার করে। অভিযোগ তখন পুলিসের সঙ্গে বল প্রয়োগ করার চেষ্টা করে আন্দোলনকারীরা। এতে দুই জন পুলিস কর্মী আহত হন। পরে পুলিস আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করে আগরতলা এ ডি নগর পুলিস লাইনে নিয়ে আসে। এদিনের পুলিসের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সকলে। কারণ উৎসবের সময়ে এ ধরণের আন্দোলন যে কোনো ভাবেই বরদাস্ত নয়, তা পুলিস প্রশাসনও বুঝতে পেরেছেন। সে কারণে জাতীয় সড়কে ঠিক ভাবে আন্দোলন শুরুর আগেই আটক করা হয় আত্মসমর্পণকারী জঙ্গিদের একটি গোষ্ঠীর সদস্যদের।
















