কৈলাশহরের বেসরকারি নার্সিং হোমের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ অস্বীকার করলো কর্তৃপক্ষ। উল্টো তাদের অভিযোগ রোগীর তরফে অপারেশন করার জন্য চিকিৎসককে বলা হয়েছিল। যদিও পাল্টা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে মহিলা রোগীর ভাই। কৈলাসহরের ফুলবাড়িকান্দি গ্রাম পঞ্চায়েতের ছয় নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলকাস মিয়া কিছু দিন আগে বোনকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য আসেন বেসরকারি হাসপাতালে। মহিলাকে পরীক্ষা নিরিক্ষার পর বেসরকারি নার্সিং হোমের তরফে অপারেশনের কথা বলা হয়। রোগীর পরিবারের তরফে আয়ুস্মান কার্ডও দেওয়া হয়। অভিযোগ অপারেশনের দিন মহিলার পরিবারের কাছে ২০ হাজার টাকা চাওয়া হয় বেসরকারি হাসপাতালের তরফে। তখন অপারেশন না করেই রোগিণীকে বাড়ি নিয়ে আসেন পরিবারের লোকজন। পরবর্তী সময়ে আলকাস মিয়া ছাব্বিশ আগস্ট বোনকে ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক মহিলাকে ভর্তি করান। সাতাশ আগস্ট সরকারি হাসপাতালেই মহিলার এপেনডিক্স অপারেশন হয়। মহিলার ভাইয়ের অভিযোগ বেসরকারি হাসপাতালে নাকি পরীক্ষা করে এপেনডিক্স নেই বলা হয়েছে। যদিও এর আগে অন্য জায়গায় পরীক্ষা করে এপেনডিক্স ধরা পড়েছিল।
এদিকে ঊনকোটি নার্সিং হোমের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন সি ই ও রাজীব রায়। সাংবাদিক সম্মেলনে রাজীব রায় দাবী করেছিলেন , আলকাস মিয়া ঊনকোটি নার্সিং হোম নিয়ে যা মন্তব্য করেছিলেন তা সম্পুর্ন মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। উনি আরও বলেন যে, আলকাস মিয়া আট আগস্ট আয়াতুন বিবিকে নিয়ে ঊনকোটি নার্সিং হোমে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন এবং সাথে একটি ইউ এস জি রিপোর্ট এনেছিলেন। সেই রিপোর্টে এপেনডিক্স উল্লেখ ছিলো বলেও রাজীব রায় জানান। তবে তিনি দাবি করেন অপারেশনের কথা রোগীর তরফে বলা হয়েছিল, হাসপাতালের তরফে নয়।
এদিকে ঊনকোটি জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক পল্লব দেববর্মা জানান, মহিলার আগের রিপোর্ট দেখেই অপারেশন করা হয়েছে। হাসপাতালে নতুন করে পরীক্ষা করা হয়নি। রোগিণী এখন সুস্থ আছে। আয়ুষ্মান কার্ডেই সব চিকিৎসা হয়েছে মহিলার।
ইতি মধ্যে অনেকটা সুস্থ মহিলা। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়িও চলে গেছেন। তবে এখন দেখার এই ঘটনার জল কতটুকু গড়ায়?


















