সত্যি সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ! অর্থের বিনিময়ে গ্রাহক বিদ্যুৎ ¬¬¬নিলেও নিগমের সরকারি নথিতে নেই নাম! ফলে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন করে দেওয়া হয় গ্রাহকের। অভিযোগ ফের টাকা জমা দিয়ে সংযোগ নিতে হয়েছে গ্রাহকের। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গেছে প্রায় এক বছর আগে তেলিয়ামুড়া ব্রক্ষ্মছড়া এলাকার বাসিন্দা খোকন দাসের বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য বিদ্যুৎ নিগমের তেলিয়ামুড়া ডিভিশনের এক জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ৩৬০০ টাকা সংগ্রহ করেন। বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয় গ্রাহকের বাড়িতে যথারীতি। কিন্তু এক বছর ধরে গ্রাহকের বাড়িতে কোন বিদ্যুৎ বিল আসেনি। বাধ্য হয়ে গ্রাহক জনৈক ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কোন সুরাহা হয়নি। ফলে গ্রাহক নিগমের এস ডি ও-র সঙ্গে যোগাযোগ করলে দেখা যায় খোকন দাসের নামে কোন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার রেকর্ডই নেই। ফলে নিগম থেকে গ্রাহকের বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ ছিন্ন করে দেওয়া হয় নিয়ম মেনে। পরে গ্রাহককে নিগম থেকে বলা হয় ১০ হাজার টাকা লাগবে ফের সংযোগ পেতে হলে। গ্রাহক নিজের অসহায়ত্বের কথা বললে ফের ৬ হাজার টাকা দিলে নতুন করে সংযোগ দেওয়া হয়। এদিকে যে ইঞ্জিনিয়ার ৩৬০০ টাকা নিয়েছিল উনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা দিতে অক্ষমতার কথা জানান।
এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে এক বছর আগে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার পর গ্রাহককে কি কোন নথি দেওয়া হয়নি? সরকারি নথিতে গ্রাহকের কোন রেকর্ড ছাড়া কিভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হল? দাবি উঠেছে পুরো ঘটনার তদন্তের।


















