দিনভর স্তব্ধ জাতীয় সড়ক, রেলপথ। চললো না দূরপাল্লার কোনো যানবাহন। দফায় দফায় বৈঠকে বের হল না সমাধান সূত্র। দীর্ঘ বৈঠকের পর জেলা শাসকের আবেদনে সাড়া দেয় কিনা প্রাক্তন বৈরীরা সেটাই দেখার? ত্রিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি। অভিযোগ আত্মসমর্পণকারী বৈরীদের বিভিন্ন সংগঠনের। ঘোষণা দিয়ে শুক্রবার সকাল ৬ টা থেকে রাজ্যের দুই জায়গায় জাতীয় সড়ক ও ভৃগুদাস পাড়ায় রেলপথ অবরোধ করে তারা।ফলে একপ্রকার স্তব্ধ হয়ে পড়ে যানবাহন চলাচল। বিভিন্ন মোটরস্ট্যান্ড থেকে যান শ্রমিকরা ভয়ে গাড়ি নিয়ে বের হননি। যাত্রীরা নিরাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান। দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে বহু লোকজনকে। বলা চলে কার্যত স্তব্ধ ছিল রাজ্য লাইফ লাইন দুই জায়গায় বন্ধ থাকায়। প্রাক্তন বৈরীদের দুই জায়গায় জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দর্শকের মতো উপভোগই করলো পুলিসের বিশাল বাহিনী। অভিযোগ আইনি ভাবে অবরোধ সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার পদক্ষেপই নিলো না পুলিস প্রশাসন। বড়মুড়া হাতাইকতরে কখনও পুলিস, কখনও প্রশাসনের তরফে আলোচনা করা হয় আন্দোলন কারীদের সঙ্গে। কিন্তু সবই নিস্ফলা। আন্দোলন চলতেই থাকে জন সাধারণ দুর্ভোগ বাড়তেই থাকলো। বিকেলের দিকে পশ্চিম জেলার জেলা শাসক ও পুলিস সুপার বড়মুড়া হাতাইকতরে যান। সেখানে আন্দোলন কারী প্রাক্তন বৈরীদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন।জানা গেছে কিন্তু কোন সমাধান সূত্র বের হয়নি। তবে জেলা শাসক সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে জানান, আন্দোলন কারীদের দাবি নিয়ে উচ্চ স্তরীয় মিটিং করা হবে। যা সম্ভব হবে তা দেওয়া হবে।জেলা শাসক জানান আন্দোলন কারিদের প্রতিনিধিরা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। তাদের কাছে আবেদন রাখা হয়েছে আন্দোলন প্রত্যাহার করার জন্য। তিনি আশা করেন দ্রুত বনধ প্রত্যাহার হবে। সকাল থেকে এভাবে অবরোধ চলায় জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে কোন হেলদোল ছিল না প্রাক্তন বৈরীদের বিভিন্ন সংগঠনের যৌথ কমিটির। প্রশ্ন উঠেছে নিজেদের দাবি আদায়ের জন্য রাজ্যের মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা কেন? এখন দেখার দুর্ভোগ সৃষ্টিকারী জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ কোন সময় প্রত্যাহার করে প্রাক্তন বৈরীদের সংগঠন গুলির যৌথ কমিটি?? নাকি বাধ্য হয়ে প্রশাসনকে অবরোধ তুলতে আইনি পদক্ষেপ নিতে হয়?


















