রাজ্যের মানুষকে চরম দুর্ভোগে ফেলা জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ অবশেষে নাটকীয়ভাবেই প্রত্যাহার করলো আত্মসমর্পণকারী বৈরীরা। শনিবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে। শুক্রবার সকাল ৬ টা থেকে বড়মুড়ার হাতাইকতর ও ভৃগুদাস পাড়ায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে তারা দাবি আদায়ে। পাশাপাশি খোয়াই চৌমুহনীতেও পথ অবরোধে শামিল হয়েছিল। প্রথম দিনই পশ্চিম জেলার জেলা শাসক ও জেলা পুলিস সুপার তাদের সঙ্গে আলোচনা করলেও আন্দোলন প্রত্যাহার করেনি আন্দোলনকারীরা। অবরোধ না উঠায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় লোকজনকে। সমস্যায় পড়েন রাজ্য ও বহিঃরাজ্যে পরীক্ষার জন্য যাওয়া পরীক্ষার্থীরা। এমনকি বিমান যাত্রীরা। অবশেষে শনিবার বিকেলে ফের আন্দোলন কারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন জেলা শাসক ও পুলিস সুপার। সরকারের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দাবি নিয়ে আলোচনার আশ্বাসের পর দুর্ভোগের পথ অবরোধ তুলে আন্দোলনকারীরা। প্রশ্ন উঠছে প্রথম দিনই জেলা শাসকের আশ্বাসের পর কেন আন্দোলন প্রত্যাহার করেনি প্রাক্তন বৈরীরা। কেন মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে অবশেষে নাটকীয় ভাবে অবরোধ তোলার ঘোষণা দিল?


















