রাজ্যে শাসকের বিরুদ্ধে কি উল্টো স্রোত বইতে শুরু করেছে? মাছলি প্রভাতী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নির্বাচনী ফলাফলে এই প্রশ্নের জন্ম দিল। সমিতির ১১ টি আসনের মধ্যে ৭ আসনে জয়ী হয়ে সমবায় সমিতির দায়িত্ব পেল সিপিএম সমর্থিত সদস্যরা। সম্প্রতি এই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার জয়ী সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এদিন ত্রিপুরা রাজ্য মৎস্যজীবী ইউনিয়নের রাজ্যভিত্তিক সেমিনার হয় মেলারমাঠ আম্বেদকর ভবনে। ত্রিপুরা মৎস্যজীবী ইউনিয়নের রাজ্য কমিটির উদ্যোগে হয় একদিবসিয় সেমিনার। সেই সেমিনারে সংবর্ধিত হন লংতরাইভ্যালি মহকুমার মাছলি প্রভাতী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিতে জয়ী সিপিএম সমর্থিত সদস্যরা।তাদের সংবর্ধিত করেন ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুধন দাস, মৎস্যজীবী ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নকুল দাস। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের বর্তমান রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র দাস সহ অন্যান্যরা। এদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। সেমিনারে আলোচনা করতে গিয়ে সুধন দাস অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে রাজ্যে বিজেপি জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি গুলির নিয়মিত নির্বাচন হয় না।অডিট হয় না। টাকা এলেও সেসব কোথায় যায় তা মৎস্যজীবীরা জানেন না। একটা অব্যবস্থা- অরাজকতা চলছে। তিনি এদিন দাবি করেন, বাম সরকারের সময়ে নিয়মিত নির্বাচন হতো। সুধন দাস আরও অভিযোগ করেন রাজ্যে একটা অরাজক পরিস্থিতি লুঠের রাজত্ব চলছে। এই অবস্থায় মৎস্যজীবীদের জীবিকা ও সমবায়কে অগ্রসর করার জন্য আলোচনা করতেই সেমিনার। তিনি বলেন আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
মৎস্যজীবী সমবায়ের হাতে জলাশয়, নিয়মিত নির্বাচন, অডিট এবং সামগ্রিক মৎস্য উৎপাদন ও মৎস্যজীবীদের অধিকার আদায়ের দাবি উঠে এদিনের সেমিনার থেকে।পাশাপাশি সেমিনার থেকে আগামী দিনের আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সেপ্টেম্বর থেকে আন্দোলনে নামতে চলেছে সংগঠন। দিল্লি অভিযানেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে সংগঠন।


















