হঠাৎ জেগে উঠল ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরি। জ্বালামুখ ফুঁড়ে বেরিয়ে এল লাভার ফোয়ারা। আর তাতেই বিমান পরিষেবা বিঘ্নিত ইন্দোনেশিয়ায়। জাকার্তা-সহ দেশের ছয়টি বিমানবন্দর থেকে বিমান চলাচল বন্ধ। ৩০০-র বেশি বিমানের উড়ানে প্রভাব পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি, দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলেছে অগ্ন্যুৎপাত।
জাভা এবং সুমাত্রার মাঝে অবস্থিত সুন্দা জলপ্রণালীর উপর অবস্থিতি মাউন্ট আনাক ক্রাকাতাউ। শুক্রবারই ইঙ্গিত মিলেছিল অগ্ন্যুৎপাত হতে পারে বলে। শেষ পর্যন্ত রবিবার ভোররাত ৩টে বেজে ৫৩ মিনিটে লাভার ফোয়ারা উগরে দেয় আগ্নেয়গিরিটি। লাভার ফোয়ারার উচ্চতা অনেক বেশি ছিল বলে জানা গিয়েছে। আর তাতেই বিমান পরিষেবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এখনও পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই। ওই আগ্নেয়গিরির সবচেয়ে নিকটবর্তী গ্রাম ১৬ কিলোমিটার দূরে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পর্যটকদের সতর্ক করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আগ্নেয়গিরির তিন কিলোমিটারের মধ্যে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে সকলকে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ছাই উড়ে এসেছে বহু দূর পর্যন্ত। জাকার্তা বিমানবন্দরেও ছাই পাওয়া গিয়েছে। ছাই উড়ে এসেছে সুমাত্রার দক্ষিণের লাংপুংয়েও।
অগ্ন্যুৎপাতের জেরে সোকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিষেবাও আপাতত বন্ধ। বিমানবন্দরে আটকে রয়েছেন বহু মানুষ। ইন্দোনেশিয়ার বেসামরিক বিমান পরিষেবা সংস্থা জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছে। বিমান সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তাদের।




















