সময় ও সত্যের কণ্ঠস্বর

Image

শিক্ষকের বাবা কুড়ে ঘরে!!

–সামাজিক অবক্ষয়ের আরও এক দৃশ্য। পুত্র ও পুত্রবধূ শিক্ষক। আর বাবার ঠাই জরাজীর্ণ কুড়ে ঘরে। সভ্য সমাজে এমন দৃশ্যই ধরা পড়লো চড়িলাম ব্লকের আড়ালিয়া পঞ্চায়েতের উত্তর মুড়া এলাকায়।এলাকার বাসিন্দা সুকুমার দেবনাথ। উনার দুই ছেলে। এদের মধ্যে টিটন নামে এক ছেলে আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল। জানা গেছে, টিটন দেবনাথ শিলাছড়ি বিদ্যালয় পরিদর্শকের অধীন আইলমারা হাই স্কুলের স্নাতক শিক্ষক। তার স্ত্রী পম্পা দেবনাথ জিরানিয়া হাই স্কুলের স্নাতক শিক্ষিকা।পুত্র ও পুত্র বধূ সরকারি শিক্ষক – শিক্ষিকা হওয়া সত্ত্বেও সুকুমার দেবনাথের কপালে জুটে না সুখ। বাড়ির জরাজীর্ণ একটি ঘরে অতি কষ্টে দিনযাপন করছেন।ঘরে নেই বিদ্যুৎ। ফলে প্রচণ্ড গরমেও ছোট্ট কুড়ে ঘরে দিনযাপন করে আসছেন তিনি। ঠিক মতো দুই বেলা খাবার জুটে না বলেও অভিযোগ। কোনোদিন এক বেলা খাবার জুটে। তাও আবার নিজেরই রান্না করতে হয়। অভিযোগ সরকারি চাকরি জীবী ছেলে ও পুত্রবধূ ফিরেও থাকায় না। কথায় আছে শিক্ষক সমাজের মেরুদণ্ড। অথচ শিক্ষকের বাবাই জরাজীর্ণ করে অতিকষ্টে জীবিকা নির্বাহ করে চলেছেন। ফিরেও থাকায় না ছেলে

সুকুমার দেবনাথের পুত্র ও পুত্রবধূর এহেন আচরণে ক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন। তারা জানান সুকুমার দেবনাথের করুন অবস্থা।

বৃদ্ধ বয়সে সুকুমার দেবনাথের করুন অবস্থা ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে সামাজিক অবক্ষয়ের নিদারুন ছবি। সচেতন মহলের প্রশ্ন শিক্ষিত ছেলে ও পুত্রবধূর সুমতি কবে ফিরবে? কবে বাবাকে যোগ্য সম্মান দেবে এই সন্তানরা?

Related Posts

Scroll to Top