দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা। পুলিসের গাড়ি আটকে দিল জনতা। ঘটনাটি ঘটে সোমবার সকালে আখাউড়া রোডস্থিত ওয়েস্টার্ন ক্লাব সংলগ্ন এলাকায়।যাত্রীবাহী টম টম ও নেক্সা ইগনিসের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। জানা গেছে নেক্সা ইগনিস গাড়িটি এদিন ফায়ার ব্রিগেডের দিক থেকে আখাউড়া রোড দিয়ে যাচ্ছিল ওয়েস্টার্ন ক্লাবের দিকে। উল্টো দিক থেকে আসছিল যাত্রী নিয়ে একটি টম টম। অভিযোগ গাড়িটি দ্রুত বেগে আসছিল। তখনই ঘটে বিপত্তি। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ সজোরে আসা গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় টম টমের। এতে গুরুতর আহত হন টম টম চালক সহ দুই যাত্রী। আরও অভিযোগ গাড়িতে থাকা এক তরুণী ড্রাইভিং শিখছিলেন। আর তাতেই নাকি দুর্ঘটনা ঘটে। তরুণীর সঙ্গে ছিলেন টি এস আর তৃতীয় ব্যাটেলিয়নের এক জওয়ান। খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা এসে আহতদের জি বি হাসপাতালে নিয়ে যায়। এদিকে অভিযোগ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিস এসে গাড়িতে থাকা তরুণীকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যায়। অভিযোগ তরুণী কোন এক পুলিস অফিসারের মেয়ে।
পুলিস গাড়িতে থাকা টি এস আর জওয়ানকে আটক করে গাড়ি তুলে নিয়ে যেতে চাইলে উত্তেজিত হয়ে উঠেন। তারা পুলিসের ভুমিকায় ক্ষোভ উগরে দেন। দাবি জানান তরুণীর পরিবারের লোকজনকে ঘটনাস্থলে আসতে হবে। এমনকি সঠিক ভাবে পুলিস নাম ধাম দিয়ে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত করার। এই দাবিতে তারা পুলিসের গাড়ি আটকে দেয়।
এদিকে সদরের এস ডি পি ও জানান পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। প্রশ্ন উঠছে প্রকাশ্য রাস্তায় কি করে পুলিস অফিসারের মেয়ে গাড়ি চালানো শিখছিল? এভাবে কি প্রকাশ্য রাস্তায় ব্যস্ততম সময়ে গাড়ি চালানো শেখতে পারেন? আইন সবার জন্য সম্মান। দাবি উঠেছে পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ক্রমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার।
















