কোজাগরি লক্ষ্মী পুজোর দিনেই ঘরের লক্ষ্মীর চিরবিদায়। ঘটনায় শোকস্বব্ধ গোটা এলাকা। মৃতার বাপের বাড়ির অভিযোগ এটা পরিকল্পিত খুন। ঘটনার তদন্তে পূর্ব মহিলা থানার পুলিস।
সবেমাত্র ২১ বছর হয়েছিল সুস্মিতা ঘোষের। তিন বছর আগেই যোগেন্দ্রনগর আদর্শ কলোনি চানমারি এলাকার বিশ্বজিৎ বর্মণের সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের ঘর আলো করে এক সন্তানের জন্মও হয়। যার বর্তমান বয়স মাত্র দুই বছর। অভিযোগ শ্বশুর বাড়িতে প্রায়শই নির্যাতনের শিকার হতো যুবতী বধূ সুস্মিতা। আরও অভিযোগ বিয়ের পরে বাপের বাড়ির লোকজন জানতে পারে বিশ্বজিত নেশা ও জুয়ায় আসক্ত। এর পরও নিজের মেয়ের কথা চিন্তা করে সব কিছু মেনে নেন সুস্মিতার বাপের বাড়ির লোকজন। এভাবেই চলছিল তাদের সংসার। এরই মধ্যে ঘটে গেল লক্ষ্মীর পূজার দিন ভোর রাতে বিপত্তি। সুস্মিতার বাপের বাড়িতে খবর যায় আত্মহত্যা করেছে মেয়ে। খবর পেয়ে দ্রুত সুস্মিতার বাপের বাড়ির লোকজন ছুটে আসেন। তারা এসে দেখেন ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায়। তবে মৃতার বাপের বাড়ির অভিযোগ মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সুস্মিতাকে। তাদের অভিযোগের তীর স্বামী বিশ্বজিৎ বর্মণ, শ্বশুর নিবারণ বর্মণ ও শাশুরি অঞ্জনা বর্মণের দিকে।
ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে পূর্ব মহিলা থানার পুলিস। ঘটনাস্থলে আসে ফরেন্সিক টিমও। তারা মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। মামলা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিস।
যুবতী বধূর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দাবি উঠেছে পুলিসি তদন্তে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বের করার।
















