৫ ঘণ্টার প্যারোলে জেলমুক্তি বাংলাদেশের হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের
বাংলাদেশে সখ্যালঘু হয়ে জন্মানোটা সবচেয়ে বড় অপরাধ। প্রয়াত মার শেষ কৃত্যের জন্য ৫ ঘণ্টার প্যারোলে জেলমুক্তি বাংলাদেশের হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের। শোনা যাচ্ছে, মায়ের শেষকৃত্যে যোগদানের জন্য ৫ ঘণ্টার প্যারোলে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা সন্ধ্যা রানি ধর। ছেলের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছেপ্রকাশও করেছিলেন তিনি। তবে মা অসুস্থ থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য ছেলের জেলমুক্তির অনুমতি দেয়নি বাংলাদেশ সরকার। এবার জানা গিয়েছে, মায়ের মৃত্যুর পর শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ৫ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র অনেকদিন ধরেই জেলবন্দি রয়েছেন। একাধিক ধারায় মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। গুরুতর অনেক অভিযোগও উঠেছে এই সন্ন্যাসীর বিরুদ্ধে। চট্টগ্রাম জেলার ডেপুটি কমিশনার মহম্মদ জহিদুল ইসলাম মিঞা বৃহস্পতিবার দুপুরে ২টো ৩০ মিনিট নাগাদ চিন্ময় কৃষ ব্রহ্মচারীর প্যারোলের নির্দেশ দেন। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, চট্টগ্রাম জেলার ডেপুটি কমিশনার মহম্মদ জহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন যে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মায়ের প্রয়াণের পর তাঁর ভাই একটি আবেদন জানিয়েছিলেন। তার ভিত্তিতেই ৫ ঘণ্টার প্যারলে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। বৃহস্পতিবার ১০ অগস্ট ভোরের দিকে মৃত্যু হয় চিন্ময় প্রভুর মা সন্ধ্যা রানি ধরের। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে শ্রী শ্রী পুণ্ডরীক ধাম মন্দিরে সম্পন্ন হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা সন্ধ্যা রানি ধরের শেষকৃত্য। প্যারোলে মুক্তির পর সেখানেই নিয়ে যাওয়া হয় বাংলাদেশের হিন্দু সন্ন্যাসীকে।