এ ডি সি ভিলেজ কমিটি নির্বাচনে বামপন্থী প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতির। এজন্য সংগঠন সর্বোতভবে অংশ নেবে। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান সংগঠনের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুধন দাস।সংগঠনের রাজ্য কমিটির সভা হয় রবিবার মেলারমাঠ আম্বেদকর ভবনে। সভায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে আগামী কর্মসূচী তুলে ধরেন নেতৃত্ব। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুধন দাস, রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মনিন্দ্র দাস, মৃন্ময় দাস, । সাংবাদিক সম্মেলনে সুধন দাস অভিযোগ করেন দেশে আর এস এস পরিচালিত বি জে পি সরকার ভয়ঙ্কর ভাবে দলিতদের উপর আক্রমণ নামিয়ে আনছে। তারা বর্ণবাদকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন শিক্ষা ব্যবস্থার উপর আক্রমণ নামিয়ে আনা হচ্ছে। সংরক্ষণ সংকোচিত হচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। ত্রিপুরার প্রসঙ্গ তুলে ধরে সুধন দাস অভিযোগ করেন, সাড়ে আট বছরে কোন ধরণের উন্নয়ন কাজ নেই। অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়েছে।এরই মধ্যে দাঁড়িয়ে এ ডি সি ভিলেজ কমিটি নির্বাচন। ভিলেজ কমিটি নির্বাচন নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সুধন দাস বলেন অনেক লড়াই করে বাম প্রার্থীরা মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানান তিনি। এর মধ্য দিয়ে মানুষ তাদের প্রার্থী বাছাই করে নেবে।
সাংবাদিক সম্মেলনে সুধন বাবু আরও জানান, ১০ দফা দাবির ভিত্তিতে আন্দোলন কর্মসূচী নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। দাবি গুলির মধ্যে রয়েছে জাতভিত্তিক জনগণনা, সম্পূর্ণ সরকারি খরচে সকলের জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, সমস্ত সরকারি আধা সরকারি দপ্তরে শুন্যপদ পূরণ করার দাবি তপশিলি সমন্বয়ের। সুধন দাস এদিন দাবি গুলি তুলে ধরে অভিযোগ করেন বর্তমান রাজ্য সরকার বেকারদের নিয়ে প্রতারণা করছে। তিনি জানান, গুরুত্বপূর্ণ দাবি গুলি নিয়ে লাগাতার আন্দোলনে যাচ্ছে সংগঠন অক্টোবর মাস থেকে। নভেম্বরে প্রতিটি ব্লক মহকুমা ও নগর এলাকায় হবে গণডেপুটেশন। ডিসেম্বরের শেষে রাজ্য ভিত্তিক জমায়েত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠন।
এদিকে ৩০ নভেম্বর সারা ভারত মৎস্যজীবী ও মৎস্য শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকে দিল্লি অভিযান। এটা সর্বভারতীয় কর্মসূচী। সংসদের সামনে রয়েছে ধরনা কর্মসূচী। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে সংগঠনের তরফে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে। রাজ্যে আন্দোলন কর্মসূচী শেষে হবে দিল্লি অভিযান। দিল্লি অভিযানে প্রায় ১০০ জন প্রতিনিধি অংশ নেবে রাজ্য থেকে।




















