বিপদসীমায় হাওড়া। জলমগ্ন চন্দ্রপুর বলদাখাল সহ একাধিক এলাকা। জলমগ্ন লোকজনকে উদ্ধারে নামানো হয়েছে বোট। পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসনের আধিকারিকরা। বর্ষার মরশুমে প্রতিবছরই হাওড়া নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেলে প্লাবিত হল নিচু এলাকা। এবছরও ব্যতিক্রম হয়নি।শনিবার দিনভর ভাদ্রের কাঠফাটা রোদের পর সন্ধ্যায় আচমকা নেমে আসে বৃষ্টি। ভারি বর্ষণে বেড়েছে হাওড়া নদীর জলস্তর। বিপদসীমায় পৌঁছে যায় হাওড়া নদীর জল। নিচু এলাকার বাড়ি ঘরে ঢুকে যায় জল।চন্দ্রপুর, বলদাখাল, শ্রীলঙ্কা বস্তী, রাণীরবাজার সহ বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। জিরানিয়া ও সদর মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় বহু মানুষের বাড়ি ঘরে জল প্রবেশ করে। কোথাও কোমর সমান জল। ফলে বাড়ি ঘরে আটকে পড়েন লোকজন। রবিবার সকালে জলমগ্ন মানুষকে উদ্ধার করতে ময়দানে নামে সদর ও জিরানিয়া মহকুমা প্রশাসন। নামানো হয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীকে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ময়দানে নামেন বিধায়ক রতন চক্রবর্তী, জিরানিয়া মহকুমা শাসক সহ অন্যরা। জিরানিয়া ও সদর এলাকায় কয়েকটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সদরের স্বামী দয়ালানন্দ স্কুলে খোলা হয়েছে ত্রাণ শিবির। সেখানে বেশ কিছু পরিবার সকাল অবধি আশ্রয় নিয়েছেন। জিরানিয়া মহকুমা শাসক অনিমেশ ধর জানান, জিরানিয়া মহকুমা এলাকায় খোলা ৪ টি ত্রাণ শিবিরে বন্যার্ত লোকজন কেউ আশ্রয় নিতে ইচ্ছে প্রকাশ করেনি। তবে ত্রাণ শিবিরে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্গত লোকজন বোটে করে এসে খাবার নিয়ে ফের চলে যাচ্ছেন। তবে পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হয়েছে। আর বৃষ্টি নাহলে জল ধীরে ধীরে নেমে যাবে।
নদীর জল বাড়িঘরে ঢুকে যাওয়ার ফলে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে লোকজন। তবে কি রকম ক্ষতি হয়েছে তা প্রশাসন নিরূপণ করতে পারবে জল নামার পরেই।
















