সময় ও সত্যের কণ্ঠস্বর

  • হোম
  • দেশ
  • কিশোরীর সঙ্গে অসভ্যতা নোংরামি! নিন্দার ঝড় সর্বত্র, ৫ জন গ্রেপ্তার
Image

কিশোরীর সঙ্গে অসভ্যতা নোংরামি! নিন্দার ঝড় সর্বত্র, ৫ জন গ্রেপ্তার

জামুইয়ে দশম শ্রেণির নাবালিকা ও তাঁর বন্ধুকে হেনস্থার অভিযোগের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত নন্দন যাদব পুলিসের এনকাউন্টারে পায়ে গুলি লেগেছে। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রায় সাত জনকে ঘটনায় জড়িত বলে শনাক্ত করেছে পুলিস।

বিহারের জামুইয়ে নাবালিকা হেনস্থার অভিযোগের ঘটনায় বড় পদক্ষেপ পুলিসের। এই মামলার মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত নন্দন যাদব পুলিসের সঙ্গে সংঘর্ষে পায়ে গুলি লাগে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর জামুইয়ে দশম শ্রেণির এক কিশোরী এবং তাঁর এক পুরুষ বন্ধুকে একদল যুবক আটকে হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। তাঁরা কোচিং ক্লাস থেকে ফেরার পথে স্কুটারে করে মাদওয়া পাহাড়ে ছবি তুলতে গিয়েছিল। ফেরার সময় তাঁদের রাস্তার মধ্যে আটকানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার সময় নাবালিকা ও তাঁর বন্ধুকে হেনস্থা এবং মারধরের অভিযোগ ওঠে। পুরো ঘটনার ভিডিয়ো অভিযুক্তদের কেউ রেকর্ড করেছিল বলে পুলিস জানিয়েছে। পরে সেই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পর পুলিস তদন্ত শুরু করে। গাড়ির নম্বর এবং ভিডিও ফুটেজের সাহায্যে ওই দুই পড়ুয়ার পরিচয় জানতে পারে পুলিস। তাঁদের বয়ান নেওয়ার পর মামলা দায়ের করা হয়। পুলিসের দাবি, ভিডিয়ো বিশ্লেষণ করে ঘটনায় জড়িত প্রায় সাত জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। প্রথমে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এরপর মঙ্গলবার মূল অভিযুক্ত নন্দন যাদব এবং আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। ফলে এই মামলায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা পাঁচে পৌঁছেছে। পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্তদের ধরতে তল্লাশি চলছিল। সেই অভিযানের সময় নন্দন যাদবের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পুলিসের গুলিতে তাঁর পায়ে আঘাত লাগে বলে দাবি করা হয়েছে। পরে তাঁকে গ্রেফতার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার বিস্তারিত পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত চলছে। ঘটনার তদন্তে মহিলা পুলিস আধিকারিকের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল বা SIT গঠন করা হয়েছে। ভিডিও এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে প্রত্যেক অভিযুক্তের ভূমিকা যাচাই করা হচ্ছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পুরনো অপরাধের অভিযোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে। বিহারের এডিজি ল অ্যান্ড অর্ডার সুহিনা অনুপম জানিয়েছেন, পুলিসের হাত ছাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল অভিযুক্ত। সেই সময় পুলিস গুলি চালায়। ওই ঘটনায় বাকি অভিযুক্তদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে। যার মধ্যে কয়েকজন নাবালকও রয়েছে।

এদিকে, নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ করে এমন ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিস। ভিডিয়োটি শেয়ার না করার জন্য সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। নাবালিকার পরিচয় প্রকাশের অভিযোগে প্রায় ১২০টি সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে পুলিস জানিয়েছে।

Related Posts

Scroll to Top