ফিরে এলো না আর জীবিত জীবন। তাঁর নিথর দেহ ভেসে উঠলো ডম্বুর জলাশয়ে। ঘটনার তদন্তে গণ্ডাছড়ার থানার পুলিস।
বিশ্বকর্মা পূজার দিন দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন জীবন চৌধুরী নামে মাঝবয়সী যুবক। গণ্ডাছড়া মহকুমার ষাট কার্ড এলাকার বাসিন্দা জীবন চৌধুরী পেশায় ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মী।তিনি গণ্ডাছড়া মহকুমা হাসপাতালের জি ডি এ পদে কর্মরত ছিলেন। ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলের পর থেকে বাড়ির লোকজন ফোনে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। তাঁর মোবাইলে ফোন করা হলেও রিসিভ করেনি। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত যত বেড়েছে পরিবারের লোকজনের মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা ততই বাড়ে। শেষে সেদিন রাতেই থানায় মিসিং ডায়েরি করা হয়। এলাকার লোকজনও খোঁজাখুঁজি করে। পরে পুলিস ডম্বুর জলাশয় সংলগ্ন নাইড়াহা চৌধুরীপাড়ায় জীবনের জুতো, স্কুটি ও মোবাইল উদ্ধার করে। কিন্তু জীবনের কোন হদিশ পাওয়া যায়নি। আশপাশ এলাকা জঙ্গলে তল্লাশি চলে। জলেও তল্লাশি চালায় দমকল,এন ডি আর এফ। অবশেষে রবিবার ডম্বুর জলাশয়ে ভাসমান অবস্থায় জীবনের দেহ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে ছুটে আসে পুলিস।জীবন চৌধুরীর মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।ময়না তদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জীবনের পরিবারের লোকজন চাইছেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের। যাতে কিভাবে জীবনের এই পরিণতি হয়েছে তা তদন্তের মাধ্যমে বের হয়।
ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কিভাবে জীবনের এই ঘটনা হল এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। সকলেই চাইছেন ঘটনার তদন্ত ক্রমে প্রকৃত কারণ বের করার।
















