একদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, আরেক দিকে চিনের প্রেসিডেন্ট শিং জিনপিং। মধ্যমণি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ব্রিকস সম্মেলনের মাঝে ধরা পড়ল এমনই ছবি। উল্লেখ্য, শনিবার দিল্লিতে শুরু হয়েছে ব্রিকস সম্মেলন। শুক্রবারই ভারতে পৌঁছন পুতিন। এদিকে, শনিবার সকালে দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতে পা রাখেন জিনপিং। এরপর ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের মাঝেই একফ্রেমে দেখা গেল তিন রাষ্ট্রনেতাকে। তিন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই ছবি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবিতে দেখা গেল, হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও শি জিনপিং। পাশাপাশি ছবিতে দেখা গিয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোকেও।
শনিবার দুপুরে শুরু হয় ব্রিকস সম্মেলন। সম্মেলনের শুরুতেই গ্লোবাল সাউথের দেশগুলিকে বিশ্বব্যাপী সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক স্তরের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ার জন্য গ্লোবাল সাউথের দেশগুলির নীতি নির্ধারকদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ দিতে প্রস্তুত ভারত।
ব্রিকসের মঞ্চ থেকে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কারের দাবি তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কার আর পিছিয়ে দেওয়া উচিত না।” তাঁর মতে, নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া প্রয়োজন। একইসঙ্গে সেই আলোচনার স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট ফলাফলও নিশ্চিত করতে হবে।
মোদীর বক্তব্য, বিশ্ব ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য ব্রিকসের সদস্য দেশগুলিকে সম্মিলিতভাবে প্রস্তাব তৈরি করতে হবে। একইসঙ্গে আগামী ২০ বছরের কথা মাথায় রেখে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।



















