সময় ও সত্যের কণ্ঠস্বর

  • হোম
  • আগরতলা
  • চির নিদ্রায় বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, প্রাক্তন বিধায়ক তাপস দে!
Image

চির নিদ্রায় বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, প্রাক্তন বিধায়ক তাপস দে!

না ফেরার দেশে চলে গেলেন বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, প্রাক্তন বিধায়ক তাপস দে। উনার প্রয়াণে শোকের ছায়া রাজনৈতিক সহ বিভিন্ন মহলে। তাপস দে। ১৯৭২ সালে শালগড়া কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে ত্রিপুরা বিধানসভার বিধায়ক হন। বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা শুধু রাজনীতি নয় সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনে উনার বিচরণ ছিল। তিনি প্রদেশ কংগ্রেসের সহ-সভাপতি পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ বছর কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত থাকা বর্ষীয়ান এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা প্রাক্তন বিধায়ক তাপস দে তিপ্রা মথায় যোগ দিয়েছিলেন। বর্ষীয়ান এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি রাজ্যের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তিও ছিলেন। শেষে জি বি হাসপাতাল ভর্তি হন। অবশেষে শুক্রবার রাত ১ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চির বিদায় নিলেন প্রাক্তন বিধায়ক। উনার মৃত্যুর খবর পেয়ে জি বি হাসপাতালে ছুটে যান বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। শনিবার সকালে জি বি হাসপাতাল থেকে উনার শবদেহ প্রথমে নিয়ে আসা হয় বিধানসভা ভবনের সামনে। সেখানে প্রয়াত নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান অধ্যক্ষ রামপদ জমাতিয়া, বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ, ভগবান দাস, বীরজিত সিনহা সহ উপস্থিত তিপ্রা মথার বিধায়ক সহ বিধানসভার কর্মচারীরা।  প্রাক্তন বিধায়কের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন তারা।

বিধানসভার সামনে থেকে প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়কের শববাহী শকট আসে আগরতলা প্রেস ক্লাবের সামনে। আগরতলা প্রেস ক্লাবের সহযোগী সদস্য ছিলেন প্রয়াত তাপস দে। প্রেস ক্লাবের সামনে উনাকে অন্তিম শ্রদ্ধা জানান, সভাপতি প্রণব সরকার, বর্ষীয়ান সাংবাদিক সুবল কুমার দে, সমীর ধর সহ অন্যান্যরা।

এর পর প্রয়াত প্রাক্তন বিধায়কের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় চন্দ্র মহলের সামনে। সেখানে তিপ্রা মথার পতাকা দিয়ে মরদেহ ঢেকে দেন দলীয় নেতৃত্ব। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী বৃষকেতু দেববর্মা, এম ডি সি রুনিয়েল দেববর্মা সহ অন্যরা।

প্রাক্তন বিধায়কের মৃত্যুতে শোকের ছায়া বিভিন্ন মহলে। মৃত্যুকালে প্রাক্তন বিধায়কের বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৮১ বছর।

Related Posts

Scroll to Top