রাত পোহালেই ধনদেবীর আরাধনায় ব্রতী হবেন গোটা রাজ্যের মানুষ । এখন এরিই প্রস্তুতি চলছে সর্বত্র । শনিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে খোয়াই শহরেও লক্ষ্মীর প্রতিমা নিয়ে বিক্রেতারা।
দুর্গা বিদায়ের পরেই মা লক্ষ্মীকে ঘরে আনার পালা । বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের অন্যতম উৎসব হল এই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো। ধন-সম্পদ, সুখ-সমৃদ্ধি এবং সংসারের মঙ্গল কামনায় প্রতিবছরই ঘরে ঘরে পূজিত হন দেবী লক্ষ্মী। আর এই পুজোকে সামনে রেখে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের শঙ্গে খোয়াই শহরের বাজারগুলিতে এখন আকর্ষণ মা লক্ষ্মীর মূর্তি। খোয়াইয়ের বিভিন্ন পথঘাট ও বাজারে পসরা সাজিয়ে বসেছেন মৃৎশিল্পীরা। মনের মতো দেবী প্রতিমা ঘরে তুলতে সকাল থেকেই বাজারে ভিড় জমাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। মৃৎশিল্পীরা জানাচ্ছেন, এবছর মূর্তির দাম আগের মতো বা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই রাখা হয়েছে, যার ফলে বিক্রিও বেশ ভালো হচ্ছে এবং ক্রেতাদের মধ্যেও দারুণ উৎসাহ লক্ষ করা যাচ্ছে।এছাড়াও খোয়াইয়ের প্রধান বাজারগুলিতে ঘুরে দেখা গেছে, লক্ষ্মীপুজোর আবশ্যিক পুজোর বিভিন্ন উপকরণ । বিশেষ করে ফল, ফুল ও মিষ্টির দোকানগুলিতে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম কিছুটা চড়া থাকলেও, পুজোর এই সমস্ত উপকরণের দাম সাধারণ মানুষের আয়ত্তের মধ্যেই রয়েছে, যা ক্রেতাদের অনেকটাই স্বস্তি দিয়েছে।
এদিকে, উৎসবের এই মরশুমকে কেন্দ্র করে ভালো ব্যবসার আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয় ফল ,ফুল বিক্রেতা থেকে শুরু করে অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও। সব মিলিয়ে, মৃৎশিল্পীদের তৈরি প্রতিমা কেনাবেচা আর পুজোর সামগ্রীর হরেক পসরায় এক অন্যরকম উৎসবের আমেজে এখন সরগরম খোয়াই শহর।
















