সময় ও সত্যের কণ্ঠস্বর

Image

জল মহলে কৃষ্ণ দুর্গা দর্শনার্থীদের নজর কাড়বে

শরতের নীল আকাশ আর শিউলির গন্ধে মেতে উঠেছে চারিদিক। প্রতিবছরের মতো এবারো অন্য ভাবনা ইন্ডিয়া ক্লাবের। দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে চোখ ধাঁধানো মণ্ডপ, অসাধারণ আলোকসজ্জা এবং অনন্য প্রতিমা। সব কিছুতেই থাকছে অভিনবত্বের ছোঁয়া, যা ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি করেছে।মাঝ দীঘির জলের উপরেই এবার স্ব-পরিবারে বসছেন দশভূজা।জলকে ঘিরেই তৈরি হচ্ছে গোটা পুজো মণ্ডপ। আর এই অভিনব ভাবনায় দুর্গাবরণের প্রস্তুতিতে ঊনকোটি জেলার কাঞ্চনবাড়ির ইন্ডিয়া ক্লাব।পুজোর দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই গতি বাড়ছে মণ্ডপ তৈরির কাজে।এলাকার কাঞ্চনমালা দিঘির জলের মধ্যেই তৈরি হচ্ছে এবছরের দুর্গাপুজোর মণ্ডপ।টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে মণ্ডপ তৈরির কাজ।ক্লাব সদস্য দীপক সরকার জানিয়েছেন, এবছর তাদের পুজো ৪১ বছরে পা দিচ্ছে।নবদ্বীপের শিল্পীরা তৈরি করছেন পুজো মণ্ডপ ও আলোকসজ্জা।আর মহকুমার মাছমারা এলাকার মৃৎশিল্পীর হাতে তৈরি হচ্ছে দেবীর প্রতিমা।শুধু মণ্ডপ আর মূর্তিতেই শেষ নয়, পুজোর প্রতিদিন দুপুরে দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে অন্ন ভোগের ব্যবস্থা।দিঘির জলের উপর দিয়ে প্রতিমা দর্শনের জন্য তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী রাস্তা।প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা বাজেট ক্লাবের। জলের উপর পুজো, তাই নিরাপত্তাতেও বিশেষ নজর উদ্যোক্তাদের।দর্শনার্থীদের যাতায়াতের পাশাপাশি জলাশয়ে নিরাপত্তার বিষয়টিও মাথায় রেখে কাজ শুরু করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। পুজোর দিনে মন্ডপ চত্বরে নৌকার ব্যবস্থা রাখার পাশাপাশি এন ডি আর এফের সহায়তার ব্যবস্থাও থাকছে বলে জানিয়েছেন ক্লাব সদস্য দীপক সরকার।
পুজোর দিনগুলিতে ইন্ডিয়া ক্লাব সামাজিক কর্মসূচীো নিয়ে থাকে।স্থানীয় হাসপাতালে রোগীদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ, প্রবীণ নাগরিক ও শিক্ষকদের সংবর্ধনা এবং এলাকার সাফাই কর্মীদের নতুন পোশাক দেওয়ার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে ক্লাবের পূজার প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। কারণ সময়ও বেশি নেই।

Related Posts

Scroll to Top