দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্যে একগুচ্ছ পদক্ষেপ ট্রাফিক দপ্তরের। যানবাহনে বিধিনষেধ বিকেল ৫টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত।
দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যেন সমস্যা নাহয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে থাকে ট্রাফিক দপ্তর। এবছরও যানজট এড়াতে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে তুলে ধরলেন ট্রাফিক এস পি কান্তা জাহাঙ্গীর। তিনি জানান, উৎসবের মরসুমে কোথায় কোথায় নতুন ট্রাফিক সিগন্যাল বসানো প্রয়োজন এবং কোথায় সিগন্যালের প্রয়োজন নেই, তার একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। এছারাও যদি কোন ব্যক্তি তার মতামত জানাতে চায় তাহলে অবশ্যই সেই মতামত ট্রাফিক পুলিসকে জানাতে পারে। পূজার দিনগুলিতে যে সমস্ত এলাকায় ‘নো-এন্ট্রি’ জোন থাকবে, সেখানে কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রেই ছাড় দেওয়া হবে। তবে ট্রাফিক এস পি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন , কেউ যদি অসৎ উদ্দেশ্যে বা মিথ্যা বলে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করার চেষ্টা করে, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ট্রাফিক এসপি আরও জানান, বর্তমানে শহরে যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৭ থেকে ৮ লক্ষে দাঁড়িয়েছে। আর এই বিপুল সংখ্যক গাড়ির চাপের কারণে রাজ্যবাসীকে তীব্র যানজট ও যাতায়াতের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে, বিশেষ করে উৎসবের দিনগুলিতে যা আরও প্রকট আকার ধারণ করে।
ট্রাফিক এস পি জানান ১৭ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত নো এন্ট্রি থাকবে।প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে নো এন্ট্রি জোন গুলো বন্ধ থাকবে ।
পুজার দিনগুলিতে ট্রাফিক ব্যবস্থা সুন্দর রাখতে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন ট্রাফিক এস পি। দর্শনার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পুজা উপভোগ করতে পারেন সেই জন্যেই ট্রাফিক দপ্তরের এই ব্যবস্থা।।
















