যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজ্যেও জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হয়। সরকারি বেসরকারিভাবে শ্রদ্ধা জানানো হয় জাতির জনককে।
প্রতিবছর জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তী শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয় রাজ্যে। সরকারি- বেসরকারি ভাবে হয়ে থাকে অনুষ্ঠান।এবছরও অন্যথায় হয়নি। শুক্রবার সকালে সার্কিট হাউস গান্ধী মূর্তির পাদদেশে প্রথমে জাতির জনককে শ্রদ্ধা জানান রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা, পশ্চিম জেলার জেলা শাসক ডঃ বিশাল কুমার সহ অন্যরা। সেখান থেকে রাজ্যপাল সহ অন্যরা যান গান্ধীঘাটে। সেখানেও গান্ধী বেদীতে রাজ্যপাল, মন্ত্রী সহ একে একে সকলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এদিকে ত্রিপুরা প্রদেশে কংগ্রেসের তরফেও মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তী পালিত হয়। সকালে কংগ্রেস ভবনের সামনে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশিস কুমার সাহা,বিধায়ক গোপাল চন্দ্র রায়, কংগ্রেস নেতা পীযূষ কান্তি বিশ্বাস সহ অন্যরা। কংগ্রেস ভবনের সামনে থেকে তারা যান র্যালি করে গান্ধীঘাটে। সেখানেও জাতির জনককে শ্রদ্ধা জানান কংগ্রেস নেতৃত্ব। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এদিন অভিযোগ করেন বর্তমান দেশের সরকার ষড়যন্ত্র করে স্বাধীন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে করায়ত্ত করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিন রাজ্যের রাজ্যের বিভিন্ন শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপিত হয় জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তী।



















