থিমের প্রতিযোগিতায় নয় কিংবা পুজয় জাকজমক পূর্ণ নয়,সামাজিক কাজেই নিয়োজিত করতে ছাইছে উদ্যোক্তারা।বলছিলাম গণ্ডাছড়া বাজার সমিতির কথা।
ঐতিহ্য ও উৎসবের মেলবন্ধনে এবার আরও এক বর্ণাঢ্য শারদোৎসবে মাততে চলেছে গন্ডাছড়া বাজার। প্রতি বছরের মতো এবারও দুর্গাপুজোর আয়োজন করেছে গন্ডাছড়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতি। ১৯৬০ সালে বাজার প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে এই পুজো উদযাপিত হয়ে আসছে। তবে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এবারের পুজোর বাজেট প্রায় ৫ লক্ষ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে, যা বাজারের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। পুজো কমিটির সম্পাদক অভিজিৎ সাহা জানান, উৎসবকে কেবল আনন্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এবার একাধিক সামাজিক কর্মসূচিও হাতে নেওয়া হয়েছে। মহালয়ার দিন বাজার সংলগ্ন এলাকায় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে বিশেষ সাফাই অভিযান করা হবে। পুজো পরিক্রমার অংশ হিসেবে ষষ্ঠীর দিন বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের নতুন বস্ত্র প্রদান করা হবে। সপ্তমীর দিনে গন্ডাছড়া মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের হাতে ফল ও মিষ্টি তুলে দেওয়া হবে। পুজোর প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জার মূল দায়িত্বে রয়েছে গন্ডাছড়া সরমা এলাকার ‘মৌসুমী ডেকোরেটর’-এর কর্মীরা। প্রতিমা তৈরিতে রয়েছেন স্থানীয় মৃৎশিল্পী দিলীপ পাল।
গণ্ডাছড়া বাজার সমিতির এবার পুজার বিশেষ আকর্ষণ উদয়পুর থেকে আমন্ত্রিত বিশেষ ঢাকের দল ।পুজাকে কেন্দ্র করে থাকছে একাধিক কর্মসূচী ।


















