আর্থিক অস্বচ্ছলতা। অসুস্থ স্ত্রীকে রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতালে এনে চিকিৎসা করাতে পারছেন না অসহায় স্বামী। শুধু ফেলছেন চোখের জল।
এ ডি সি ভিলেজ কমিটি নির্বাচন নিয়ে উপজাতি জনপদে যখন রাজনৈতিক দলের নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট প্রচারে ব্যস্ত, তখনই প্রত্যন্ত এক জনপদে করুণ ছবি ধরা পড়লো। সামনে উঠে এলো এক পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতার ছবি। বলছিলাম, গন্ডাছড়া মহকুমার নতুন বিশ্বরাম পাড়ার বাসিন্দা মিলন জয় রিয়াং-র কথা। চলতি মাসের ১০ সেপ্টেম্বর উনার স্ত্রী রঙ্গবতী রিয়াং-র স্ট্রোক হয়। মহিলাকে সঙ্গে সঙ্গে গণ্ডাছড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুইদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রেফার করা হয় কুলাই ধলাই জেলা হাসপাতালে। কুলাই হাসপাতালে এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজ্যের প্রধান রেফারেল হাসপাতাল জি বিতে রেফার করা হয় মহিলাকে। কিন্তু সেখানেই বাঁধে সমস্যা। হতদরিদ্র পরিবারের পক্ষে আগরতলা জি বি হাসপাতালে এনে চিকিৎসা করানো যেন আকাশ কুসুম কল্পনা। কারন মহিলার স্বামীর আর্থিক সামর্থ্য নেই। অসহায় মিলন জয় রিয়াং উপায়ন্তর না দেখে ধলাই জেলা হাসপাতাল থেকে স্ত্রীকে সোজা বাড়ি নিয়ে যান। বর্তমানে বিনা চিকিৎসায় বাড়িতে পড়ে আছেন অসুস্থ রঙ্গবতী। মিলন জয় রিয়াং সরকারের কাছে কাতর আবেদন রাখেন উনার স্ত্রী’র উন্নত চিকিৎসায় যাতে এগিয়ে আসে।
ভিলেজ কমিটির ভোটের প্রচারে উপজাতি জনপদে সকল দলের নেতাদের মুখে শোনা যাচ্ছে নান রকম মুখরোচক কথা। আর প্রতিশ্রুতি।কিন্তু অহসায় এই পরিবারটির পাশে এসে দাঁড়াবে কি কেউ? নাকি বিনা চিকিৎসায় এভাবেই জীবন অতিবাহিত হবে উপজাতি রমণী রঙ্গবতীর?
















