বাড়ির কর্তা বিছানায় শয্যাশায়ী। আয়ের উৎস বলতে কিছু নেই। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। দম্পতি সামাজিক ভাতার উপযুক্ত হয়েও পাচ্ছেন না।
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় এক বছর ধরে প্যারালাইজড মানিক মিয়া। জম্পুইজলা ব্লকের অধীন প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দা মানিক মিয়া। বয়স প্রায় ৮০ বছর। উনার স্ত্রী হেলেনা খাতুনও ৬০ বছর অতিক্রম করেছে সেই কবেই। দুইজনই সামাজিক ভাতা পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু মিলছে না ভাতা। বাড়ির কর্তা বিছানায় শয্যাশায়ী হয়ে পড়ায় সংসারের আয় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে। এই দম্পতির ঘরে নেই কোনো ছেলে সন্তান। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। অভিযোগ অসহায় দম্পতি সামাজিক ভাতার জন্য আবেদন করলেও আজ পর্যন্ত একজনের ভাগ্যেও জুটেনি সামাজিক ভাতা। ফলে ঠিক খাবার যেখানে জুটে না তাদের সেখানে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা যেন আকাশ কুসুম কল্পনা। দম্পতি অশ্রুনয়নে জানান, স্থানীয় একটি ক্লাব ও এলাকার লোকজনের সাহায্যে কোনোমতে দুই বেলা খাবার জুটে।
এহেন পরিস্থিতিতে বৃদ্ধ অসহায় দম্পতি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে করজোড়ে আবেদন করেন তাদের ভাতার যাতে ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। কারণ সংসারের আয় বলতে যে কিছুই নেই।


















